ইসলামি বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস পবিত্র শাবান। এটি রজব ও রমজানের মাঝখানের একটি মধ্যবর্তী মাস। কোরআন-হাদিসের আলোকে শাবান একটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ সময়কাল। এটি আত্মশুদ্ধি ও আমল বৃদ্ধির প্রস্তুতি এবং রমজানের পূর্বাভাস হিসেবে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করেছে।
- পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পিএইচডি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
- * * * *
- জিম্বাবুয়েতে ২১ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের সন্ধানের দাবি বিজ্ঞানীদের
- * * * *
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক অগ্রগতি
- * * * *
- “ধর্ম ও বিজ্ঞান পৃথক সত্তা হলেও সবার আগে মানুষ হওয়া জরুরী”
- * * * *
- শাপলা চত্বরের মামলায় আত্মসমর্পণ করবে লতিফ সিদ্দিকী
- * * * *
শাবান মাস
ইসলামের দৃষ্টিতে শাবান মাস বিভিন্ন কারণে বিশেষ গুরুত্ব ও তাত্পর্যপূর্ণ। এ মাসকে মহানবী (সা.) ‘শাবানু শাহরি’ (শাবান আমার মাস) বলে অভিহিত করেছেন।
রমজানের প্রস্তুতি উপলক্ষে শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখেন মুসলিমরা। শাবান মাসের পুরো সময় রোজা রাখা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই মাসের শেষ দিনগুলোতে রোজা রাখা নিয়ে কিছু মত পার্থক্য রয়েছে।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে রমজান মাসের গুরুত্ব ছিল অসীম। তিনি কয়েক মাস আগে থেকেই এ মাসের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন।
হিজরি বর্ষপঞ্জি হিসাবে পবিত্র রমজান মাসের আগের মাস শাবান। রমজান মাসের প্রস্তুতিকাল হিসেবে শাবান মাসের গুরুত্ব অপরিসীম।
ইসলামে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদাপূর্ণ একটি মাস হলো শাবান। এটি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস। এটি নফল রোজার মাস।
প্রত্যেক চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজার গুরুত্ব অনেক বেশি। সেই হিসেবে শাবান মাসেও এই তিনটি রোজা অনেক মূল্যবান। চন্দ্রমাসের মধ্যবর্তী এই তিনদিনকে (১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ) আরবি পরিভাষায় আইয়ামে বিজ বলা হয়।
পবিত্র রমজান আগমনের আগেই রমজানের প্রস্তুতির মাস রজব ও শাবান। আরবি হিজরি সনের ৭ম মাস রজবের পরই শুরু হয় ৮ম মাস সাবান। আর এ শাবান হলো ফজিলত ও অনন্য মর্যাদাপূর্ণ একটি মাস।
আজ হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত পবিত্র শবেবরাত। পবিত্র হাদিস গ্রন্থে এ রাতটিকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা ‘শাবান মাসের মধ্যরজনী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।